Book Review: Public Policy: Concepts, Politics, and Analysis (5)

মাইকেল ই. ক্রাফট এবং স্কট আর. ফারলং-এর "Public Policy: Concepts, Politics, and Analysis" (To download or to Read at archive.org) বইটি জননীতি বা পাবলিক পলিসিকে কেবল তাত্ত্বিকভাবে নয়, বরং একটি বিশ্লেষণধর্মী এবং ব্যবহারিক বিজ্ঞান হিসেবে উপস্থাপনের জন্য অত্যন্ত প্রশংসিত। নিচে বইটির একটি বিস্তারিত বুক রিভিউ দেওয়া হলো:

১. মূল দর্শন ও উদ্দেশ্য

এই বইটির মূল সুর হলো—নাগরিক অংশগ্রহণ এবং বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা। লেখকদের মতে, জননীতি কেবল আমলা বা রাজনীতিকদের বিষয় নয়; বরং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নীতি কীভাবে কাজ করে এবং সেটি সমাজের ওপর কী প্রভাব ফেলে, তা বুঝতে পারা জরুরি। বইটি মূলত শিক্ষার্থীদের নীতি বিশ্লেষণের (Policy Analysis) টুলসগুলো শেখানোর ওপর জোর দেয়।


২. বইটির বিশেষ কাঠামো

বইটি মূলত চারটি প্রধান অংশে বিভক্ত:

  • প্রথম অংশ: জননীতির মৌলিক ধারণা, প্রেক্ষাপট এবং কেন সরকার কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে (যেমন: মার্কেট ফেইলিউর), তা নিয়ে আলোচনা।

  • দ্বিতীয় অংশ: নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়া বা Policy Process Model। এখানে নীতি নির্ধারণের রাজনীতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

  • তৃতীয় অংশ: নীতি বিশ্লেষণের পদ্ধতি। অর্থাৎ, একটি নীতি কতটুকু কার্যকর বা সাশ্রয়ী হবে, তা কীভাবে পরিমাপ করা যায়।

  • চতুর্থ অংশ: বিশেষ খাতভিত্তিক আলোচনা। যেমন: অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ এবং জ্বালানি নীতির মতো সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলোর বাস্তবমুখী বিশ্লেষণ।


৩. প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ

  • মূল্যবোধ বনাম বিশ্লেষণ: লেখকরা দেখিয়েছেন যে, নীতি নির্ধারণ কেবল তথ্য-উপাত্তের বিষয় নয়; এর সাথে সমতা (Equity), দক্ষতা (Efficiency), এবং স্বাধীনতার (Liberty) মতো নৈতিক ও রাজনৈতিক মূল্যবোধ জড়িত।

  • ৫-ধাপের বিশ্লেষণ পদ্ধতি: বইটি শিক্ষার্থীদের শেখায় কীভাবে সমস্যা সংজ্ঞায়িত করতে হয়, বিকল্প খুঁজতে হয়, মানদণ্ড নির্ধারণ করতে হয় এবং শেষে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

  • সমসাময়িক সমস্যা: এতে জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে অভিবাসন বা সাইবার সিকিউরিটির মতো আধুনিক চ্যালেঞ্জগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা বইটিকে আপ-টু-ডেট রাখে।


৪. সবল দিক (Strengths)

  • ব্যবহারিক প্রয়োগ: থমাস ডাই-এর বই যেখানে তত্ত্বের ওপর বেশি জোর দেয়, ক্রাফট ও ফারলং সেখানে "How-to" বা কীভাবে বিশ্লেষণ করতে হয়, তার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

  • সহজবোধ্য উপস্থাপনা: জটিল অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক তত্ত্বগুলোকে খুব সহজ ভাষায় কেস স্টাডির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

  • সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি: এটি পাঠককে প্রশ্ন করতে শেখায় যে, একটি সরকারি নীতি আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছে এবং এর বিকল্প আর কী হতে পারত।


৫. সীমাবদ্ধতা

  • বইটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা এবং ফেডারেল পলিসির প্রেক্ষাপটে রচিত। তাই অন্য দেশের প্রেক্ষাপটে এটি পড়ার সময় কিছু কাঠামোগত ভিন্নতা (যেমন: সংসদীয় বনাম রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা) মাথায় রাখতে হয়।

সারসংক্ষেপ

আপনি যদি জননীতির একজন গবেষক বা নীতি-নির্ধারক হন, তবে এই বইটি আপনার জন্য একটি 'অ্যানালিটিক্যাল টুলকিট' হিসেবে কাজ করবে। এটি আপনাকে কেবল নীতি বুঝতে নয়, বরং নতুন কোনো নীতি প্রস্তাব করার সময় এর ভালো-মন্দ বিচার করার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি শিখিয়ে দেবে।


বিশেষ করে আপনি যদি নাগরিক অধিকার (Citizen's Charters) বা সুশাসন (Good Governance) নিয়ে কাজ করেন, তবে এই বইয়ের 'Policy Analysis' অংশটি আপনার জন্য অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে।


মাইকেল ই. ক্রাফট এবং স্কট আর. ফারলং তাদের বইতে জননীতি বিশ্লেষণের জন্য একটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আলোচনা করেছেন। তাদের মতে, নীতি বিশ্লেষণ কেবল একটি তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং এটি একটি র‍্যাশনাল বা যৌক্তিক প্রক্রিয়া, যা সমস্যার সমাধান খুঁজতে সাহায্য করে।

বইটিতে নীতি বিশ্লেষণের যে মূল কাঠামো আলোচনা করা হয়েছে, তা নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হলো:

১. নীতি বিশ্লেষণের ৫-ধাপের কাঠামো (The 5-Step Analysis Model)

লেখকরা একটি নীতি বা পলিসি বিশ্লেষণের জন্য পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করার কথা বলেছেন:

  • সমস্যা সংজ্ঞায়িত করা (Define the Problem): বিশ্লেষণ শুরু হয় সমস্যাটি আসলে কী, তা বোঝার মাধ্যমে। সমস্যাটি কতটা গুরুতর, এর ব্যাপ্তি কতটুকু এবং কেন সরকার এখানে হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন—তা এখানে নির্ধারণ করা হয়।

  • বিকল্প নীতি তৈরি করা (Construct Policy Alternatives): একটি সমস্যা সমাধানের জন্য কেবল একটি পথ থাকে না। গবেষকদের কাজ হলো বিভিন্ন সম্ভাব্য সমাধান বা বিকল্প প্রস্তাব করা। (যেমন: নতুন আইন করা, ট্যাক্স বাড়ানো, বা জনসচেতনতা তৈরি করা)।

  • মূল্যায়নের মানদণ্ড নির্ধারণ (Select Evaluative Criteria): কোন ভিত্তিতে আমরা বিকল্পগুলোকে বিচার করব? তারা মূলত চারটি মানদণ্ডের কথা বলেছেন: কার্যকারিতা (Effectiveness), দক্ষতা (Efficiency), সমতা (Equity), এবং রাজনৈতিক সম্ভাব্যতা (Political Feasibility)

  • বিকল্পগুলো মূল্যায়ন করা (Assess the Alternatives): প্রস্তাবিত বিকল্পগুলো মানদণ্ড অনুযায়ী বিশ্লেষণ করা। অর্থাৎ, কোন বিকল্পটি সবচেয়ে সাশ্রয়ী হবে বা কোনটি বাস্তবায়ন করা রাজনৈতিকভাবে সহজ হবে, তা দেখা।

  • উপসংহার এবং সুপারিশ (Draw Conclusions): সবশেষে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নীতি-নির্ধারকদের জন্য একটি সুপারিশ প্রদান করা।


২. বিশ্লেষণের তিনটি প্রধান দৃষ্টিভঙ্গি (Three Approaches to Analysis)

লেখকরা উল্লেখ করেছেন যে সব সময় একই লক্ষ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয় না। উদ্দেশ্যের ওপর ভিত্তি করে বিশ্লেষণ তিন ধরণের হতে পারে:

  • বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি (Scientific Approach): এর লক্ষ্য হলো সত্য উদঘাটন করা এবং নীতির প্রভাব সম্পর্কে তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেওয়া। এটি সাধারণত একাডেমিক গবেষণায় বেশি ব্যবহৃত হয়।

  • পেশাদার দৃষ্টিভঙ্গি (Professional Approach): এটি সরাসরি নীতি-নির্ধারণের জন্য করা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করা। (যেমন: সরকারি থিংক-ট্যাঙ্ক বা আমলারা যেভাবে করেন)।

  • রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি (Political Approach): এখানে বিশ্লেষণ করা হয় নির্দিষ্ট কোনো আদর্শ বা রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য। এটি প্রায়ই কোনো একটি নির্দিষ্ট পক্ষের স্বার্থ রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।


৩. বাজার ব্যর্থতা ও সরকারি হস্তক্ষেপের যুক্তি (Market Failure Analysis)

ফারলং ও ক্রাফট তাদের বইতে দেখিয়েছেন যে, একজন বিশ্লেষককে প্রথমেই বুঝতে হবে কেন সরকার হস্তক্ষেপ করছে। তারা চারটি 'Market Failure' পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছেন:

  • একচেটিয়া আধিপত্য (Monopoly): যখন কোনো একটি পক্ষ বাজার নিয়ন্ত্রণ করে।

  • বাহ্যিকতা (Externalities): যখন কোনো কাজের প্রভাব (ইতিবাচক বা নেতিবাচক) তৃতীয় পক্ষের ওপর পড়ে (যেমন: পরিবেশ দূষণ)।

  • তথ্যের অসামঞ্জস্য (Information Asymmetry): যখন ভোক্তা বা সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় তথ্য পায় না।

  • পাবলিক গুডস (Public Goods): এমন কিছু সেবা যা বাজার দিতে পারে না (যেমন: জাতীয় নিরাপত্তা বা গ্রামীন অবকাঠামো)।


৪. নীতি বিশ্লেষণের সরঞ্জাম (Tools for Analysis)

বইটিতে কিছু প্রায়োগিক কৌশলের কথা বলা হয়েছে যা একজন বিশ্লেষকের জানা প্রয়োজন:

  • কস্ট-বেনিফিট অ্যানালাইসিস (Cost-Benefit Analysis): আর্থিক লাভ ও ক্ষতির তুলনা।

  • ঝুঁকি মূল্যায়ন (Risk Assessment): একটি নীতি গ্রহণ করলে কী কী ঝুঁকি থাকতে পারে।

  • এথিক্যাল অ্যানালাইসিস (Ethical Analysis): নীতিটি নৈতিকভাবে সঠিক কি না তা বিচার করা।


আপনার জন্য প্রাসঙ্গিকতা:

যেহেতু আপনি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) এবং সিটিজেন চার্টার নিয়ে আগ্রহী, এই বইয়ের 'কার্যকারিতা' (Effectiveness) এবং 'সমতা' (Equity) যাচাই করার পদ্ধতিগুলো আপনার প্রশাসনিক কাজে সরাসরি প্রয়োগ করা সম্ভব। বিশেষ করে সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এই মানদণ্ডগুলো ব্যবহার করে আপনি সেবার মান যাচাই করতে পারেন।

এই বিশ্লেষণ পদ্ধতির কোনো একটি নির্দিষ্ট অংশ (যেমন: বিকল্প তৈরি বা মানদণ্ড নির্ধারণ) নিয়ে আপনি কি আরও বিস্তারিত জানতে চান?

আপনি যেহেতু মানদণ্ড নির্ধারণ (Evaluative Criteria) এবং বিকল্প তৈরির (Constructing Alternatives) প্রক্রিয়া নিয়ে আরও জানতে চেয়েছেন, তাই ক্রাফট ও ফারলং-এর বইয়ের আলোকে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. মূল্যায়নের মানদণ্ড নির্ধারণ (Select Evaluative Criteria)

নীতি বিশ্লেষণে 'ক্রাইটেরিয়া' বা মানদণ্ড হলো সেই মাপকাঠি, যার মাধ্যমে বোঝা যায় একটি প্রস্তাবিত নীতি কতটা সফল হবে। প্রধান চারটি মানদণ্ড হলো:

  • কার্যকারিতা (Effectiveness): এটি সবচেয়ে মৌলিক প্রশ্ন—"নীতিটি কি তার উদ্দেশ্য অর্জন করতে পারবে?" অর্থাৎ, একটি নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানে প্রস্তাবিত বিকল্পটি কতটা সফল হবে, তার পূর্বাভাস।

  • দক্ষতা (Efficiency): এখানে খরচের তুলনায় প্রাপ্ত সুফলের (Value for money) বিচার করা হয়। কোনো লক্ষ্য অর্জনে সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ সুফল পাওয়া যাচ্ছে কি না, সেটিই এর মূল বিবেচ্য।

  • সমতা বা ন্যায়বিচার (Equity): নীতিটি কি সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করছে? বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া বা সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠী এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কি না, তা দেখা হয়।

  • রাজনৈতিক সম্ভাব্যতা (Political Feasibility): নীতিটি তাত্ত্বিকভাবে চমৎকার হলেও কি রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য? নীতিনির্ধারক, রাজনৈতিক দল এবং প্রভাবশালী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীগুলো এটি মেনে নেবে কি না, তার বিচার করা হয়।

প্রশাসনিক উদাহরণ: আপনি যখন কোনো অফিসে SOP চালু করতে যান, তখন আপনাকে দেখতে হয় এটি সেবার গতি বাড়াচ্ছে কি না (কার্যকারিতা), অফিসের বাড়তি খরচ হচ্ছে কি না (দক্ষতা), এবং এই নতুন নিয়ম সাধারণ মানুষ সহজে গ্রহণ করছে কি না (রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্ভাব্যতা)।

২. বিকল্প নীতি তৈরি করা (Constructing Policy Alternatives)

সমস্যা সমাধানের জন্য একটি নয়, বরং একাধিক পথ খুঁজে বের করা একজন বিশ্লেষকের প্রধান কাজ। ক্রাফট ও ফারলং বিকল্প তৈরির জন্য কয়েকটি কৌশলের কথা বলেছেন:

  • কিছুই না করা (No Action Analysis): সব সময় নতুন নীতি দরকার হয় না। বর্তমানে যা চলছে তা চলতে দিলে কী হতে পারে, তাকে একটি 'বেসলাইন' বা ভিত্তি হিসেবে রাখা হয়।

  • বিদ্যমান নীতির পরিবর্তন: একদম নতুন কিছু না করে বর্তমান নিয়মের মধ্যে ছোটখাটো সংস্কার বা পরিবর্তন আনা (যেমন: ফি কমানো বা সময় বাড়ানো)।

  • অন্যদের থেকে শেখা (Policy Borrowing): অন্য কোনো বিভাগ বা দেশ একই সমস্যায় কী সমাধান দিয়েছিল, তা পর্যালোচনা করে নিজের প্রেক্ষাপটে তা খাপ খাইয়ে নেওয়া।

  • নতুন টুলস ব্যবহার করা: সরকার মূলত কয়েকটি উপায়ে কাজ করতে পারে:

    • নিয়ন্ত্রণ (Regulation): আইন বা বিধি জারি করা।

    • আর্থিক প্রণোদনা (Economic Incentives): ট্যাক্স কমানো বা ভর্তুকি দেওয়া।

    • শিক্ষা ও তথ্য (Information): জনসচেতনতা তৈরি বা ট্রেনিং প্রদান।

    • বাজার ব্যবস্থা (Market Mechanisms): বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।

এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের কৌশল

একজন দক্ষ বিশ্লেষক প্রথমে ২-৩টি বিকল্প (Alternatives) তৈরি করেন এবং তারপর প্রতিটি বিকল্পকে উপরের ৪টি মানদণ্ড (Criteria) দিয়ে যাচাই করেন। একটি ছক বা ম্যাট্রিক্সের মাধ্যমে এটি করলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়:

বিকল্পসমূহ কার্যকারিতা দক্ষতা সমতা রাজনৈতিক সম্ভাব্যতা
বিকল্প ১
(নতুন আইন)
উচ্চ কম উচ্চ মধ্যম
বিকল্প ২ (জনসচেতনতা) মধ্যম উচ্চ উচ্চ উচ্চ
Previous
Previous

Book Review:Understanding Public Policy (6)

Next
Next

গ্রন্থ সংক্ষেপ ‘The Agrarian System of Mughal India (1556–1707)’(৪)